টাঙ্গাইল খবর

টাঙ্গাইলে নিহত ফারুক হত্যার বিষয়ে সাক্ষাৎকার

টাঙ্গাইলে নিহত ফারুক হত্যার বিষয়ে সাক্ষাৎকার

টাঙ্গাইলে বিএনপি নেতা ও দাইন্যা ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক হত্যা মামলার বিষয়ে তার ছোট ভাই বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান লাভলু মিয়া লাবু রেডিও দুর্জয়ে সাক্ষাৎকার দেয়। সাক্ষাৎকার নেয় রেডিও দুর্জয়ের নিজস্ব প্রতিবেদক লাবু খন্দকার। আর এই সাক্ষাৎকারে বেড়িয়ে আসে তার ভাইয়ের হত্যার অর্থ যোগানদাতাদের নাম।
টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাংসদ আমানুর রহমান খান রানার ভাই সানিয়াত খান বাপ্পার নির্দেশেই তার দেহরক্ষী শাহজাহান মিয়াসহ আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে তার ভাইকে হত্যা করেন। আর এই হত্যাকাণ্ডে সানিয়াত খান বাপ্পাকে ১০ লাখ টাকা স্থানীয় সাংসদ ও উপজেলা চেয়ারম্যান দেয় বলে সাপ্তাহিক সামাল পত্রিকার নাম উল্লেখ করে জানান, রফিকুল ইসলাম ফারুক’র ছোট ভাই ও মামলার বাদী লাভলু মিয়া।
লাভলু মিয়া লাবু আরো জানান, টাঙ্গাইল মডেল থানায় মামলা করার পর কোন ক্লো না পেয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে মামলার তদন্তের ভার দেয়া হয়। মামলাটি গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত করার পর আমার ভাইয়ের হত্যার সাথে জড়িত কয়েকজনকে গ্রেপ্তার ও চিহ্নিত করা হয়। বর্তমানে মামলাটি সিআইডিতে রয়েছে। কিন্তু সানিয়াত খান বাপ্পার কাছে যারা ১০ লাখ টাকা দিয়েছে তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানান।
উল্লেখ, শাহজাহান মিয়া রিমান্ড শেষে ২০১৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল বিচারিক হাকিম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।তিনি আগে নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থি দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে এমপি রানার ছোট ভাই বাপ্পার দেহরক্ষী নিযুক্ত হন। বাপ্পা তাকে দায়িত্ব দেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুককে হত্যার। বাপ্পার নির্দেশেই শাহজাহান তার আরও কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর ভোরবেলা চেয়ারম্যান ফারুককে শহরের আকুরটাকুর এলাকার বটতলা বাজারে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেন। এ হত্যাকাণ্ডের জন্য বাপ্পা তাকে ৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন বলেও জবানবন্দিতে শাহজাহান উল্লেখ করেছেন।

আল-আমিন খান

ডিসেম্বর 6th, 2017

No Comments

Comments are closed.